মিউচ্যুয়াল ফান্ডের অসময়ে দেখা গেলেও সময়ে নাই
শেয়ারবাজারের অসময়ে দেখা গেলেও প্রয়োজনে নেই মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতের আর্বিভাব। ২০০৯-১০ সালে উর্ধ্বমুখী ধারায় থাকাকালীন সময় শেয়ারবাজারে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের ব্যাপক আগমন লক্ষ করা গেছে। কিন্তু এরপর থেকে বাজার যখন ক্রমানয়ে নিম্নমুখী তথন থেকে কমে গেছে এই খাতটির অনুমোদন। ওইসময় কোন ধরনের যাছাই না করে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে মনে করেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
দেখা গেছে, ২০০৯ সালে শেয়ারবাজার থেকে টাকা উত্তোলনের জন্য অনুমোদন পায় ১৮টি প্রতিষ্ঠান। যার মধ্যে ৭টি মিউচ্যুয়াল ফান্ড। আর ২০১০ সালে অনুমোদন পাওয়া ১৩টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮টিই ছিল মিউচ্যুয়াল ফান্ড। যেসময় শেয়ারবাজার ছিল অস্বাভাবিক ধারায় উর্ধ্বমুখী। আর ওইসময় মিউচ্যুয়াল ফান্ডের অনুমোদনের মাধ্যমে সেই পালে হাওয়া দেওয়া হয়েছে।
এদিকে ২০১০ সালের ডিসেম্বর থেকে নিম্নধারায় থাকে শেয়ারবাজার। আর তখন থেকে বাজারে আসাও কমে যায় মিউচ্যুয়াল ফান্ড। তথ্যমতে, ২০১২ সালে শেয়ারবাজার থেকে টাকা উত্তোলনের অনুমোদন পাওয়া ১৪টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৪টা মিউচ্যুয়াল ফান্ড। আর ২০১৩ সালে সে সংখ্যা ১৬টার মধ্যে ২টা।
শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করার জন্য আসে মিউচ্যুয়াল ফান্ড। যেখানে একটি মিউচ্যুয়াল ফান্ড মোট ফান্ডের কমপক্ষে ৬০ শতাংশই এই বাজারে বিনিয়োগ করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এতে করে যখন এই খাতটির আগমন বেশি হবে তখন শেয়ারবাজারে ইতিবাচক প্রভাব বেশি পড়বে এটাই স্বাভাবিক। যার ফলে অস্বাভাবিক উর্ধ্বমুখী ধারায় নয় স্বাভাবিক ধারায় প্রয়োজন মিউচ্যুয়াল ফান্ড। কিন্তু বিএসইসি শেয়ারবাজারে অস্বাভাবিক উত্থানের সময় (২০০৯ ও ১০ সাল) মিউচ্যুয়াল ফান্ডের বেশি অনুমোদন দিয়েছে।
শেয়ারবাজারে অসময়ে অনুমোদনের কারনে ২০১০ সাল পরবর্তী মহাধ্বসে কবলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে মিউচ্যুয়াল ফান্ড খাতটি। এই খাতটিতে বিনিয়োগ করে বিনিয়োগকারীরা এখনো তার প্রভাব থেকে বের হয়ে আসতে পারেনি।
২০০৯-১০ সালে কোন ধরনের বিচার-বিবেচনা না করে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শেয়ারবাজার বিশ্লেষক অধ্যাপক আবু আহমেদ। ২০০৯-১২ এমনকি ২০১৩ সালে যেসব মিউচ্যুয়াল ফান্ড শেয়ারবাজারে এসেছে সেগুলো অদক্ষতার প্রমাণ দিয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
বর্তমানে ৫-৭ টাকায় পাওয়া যাওয়ায় ১০টাকা দিয়ে কেউ মিউচ্যুয়াল ফান্ড ক্রয় করবে না বলে জানান ডিএসইর পরিচালক শাকিল রিজভী। বর্তমানে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের এই নাজুক অবস্থার মধ্যে নতুন করে আসলে সাবস্ক্রিপশন পরিপূর্ণ হওয়া নিয়ে তিনি সন্দিহান।
শাকিল রিজভী জানান, বাজারের উর্ধ্বমুখী ধারায় মিউচ্যুয়াল ফান্ড আসায় সমস্যা নাই। তবে এর অর্থ এই না যে, হাই রেটে শেয়ার ক্রয় করবে। ২০০৯-১০ সালে মিউচ্যুয়াল ফান্ডগুলো হাই রেটে শেয়ার ক্রয় করে অদক্ষতার পরিচয় দিয়েছে। যার কারনে বর্তমানে সেসব মিউচ্যুয়াল ফান্ডের বেহাল দশার কারনে নতুন করে কোন ফান্ড আসছে না। আর বিনিয়োগকারীরাও এই খাতটির উপর থেকে আস্থা হারিয়ে ফেলেছে।
বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্বাহী পরিচালক ও মূখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, আবেদন কম হওয়ার কারনে পূর্বের চেয়ে বর্তমানে মিউচ্যুয়াল ফান্ডের অনুমোদন কম। মিউচ্যুয়াল ফান্ডকে বাজারে আনার দায়িত্ব এ্যাসেট ম্যানেজম্যান্ট কোম্পানির। তারা যদি প্রোপার ওয়েতে একটি মিউচ্যুয়াল ফান্ডকে বাজারে আনার জন্য আবেদন করে, তাহলে অবশ্যই অনুমোদন দেওয়া হবে। এক্ষেত্রে সবকিছু ঠিক থাকলে অনুমোদন না দেওয়ার কিছু নাই বলে জানান তিনি।
পাঠকের মতামত:
- বিজিআইসির কোটি কোটি টাকা লুটপাটে ক্ষতিগ্রস্থ শেয়ারহোল্ডাররা
- ব্লক মার্কেটে ৩২ কোটি টাকার লেনদেন
- দর বৃদ্ধির শীর্ষে মুন্নু সিরামিক
- মুন্নু সিরামিকসের শেয়ারের সর্বোচ্চ লেনদেন
- উত্তরা ব্যাংকের বোনাসে বিএসইসির অনুমোদন লাগবে না
- ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্সের ইপিএস কমেছে
- বুধবার ইস্টার্ণ ব্যাংকের লেনদেন বন্ধ
- বুধবার নিটল ইন্স্যুরেন্সের স্পটে লেনদেন শুরু
- সোনালী সিকিউরিটিজের ট্রেক সনদ বাতিল
- শেয়ারবাজারে পতন
- দর পতনের শীর্ষে এপেক্স স্পিনিং
- দর বৃদ্ধির শীর্ষে মুন্নু সিরামিক
- ব্লক মার্কেটে ৩০ কোটি টাকার লেনদেন
- বেক্সিমকো ফার্মার শেয়ারে সর্বোচ্চ লেনদেন
- বুধবার ইস্টার্ণ ব্যাংকের লেনদেন বন্ধ
- নিটল ইন্স্যুরেন্সের স্পটে লেনদেন শুরু বুধবার
- লেনদেনে ফিরেছে ওয়ালটন হাই-টেক
- রবি আজিয়াটার ক্রেডিট রেটিং মান প্রকাশ
- ডিএসইতে সূচক ও লেনদেনের উত্থান, সিএসইতে পতন
- তিন কোম্পানির লভ্যাংশ সভার তারিখ ঘোষনা
- আগামীকাল লেনদেনে ফিরবে ওয়ালটন হাই-টেক
- দর পতনের শীর্ষে ইয়াকিন পলিমার
- দর বৃদ্ধির শীর্ষে জেএমআই সিরিঞ্জ
- ব্লক মার্কেটে ৪০ কোটি টাকার লেনদেন
- এনসিসি ব্যাংকের শেয়ারে সর্বোচ্চ লেনদেন
- ওয়ালটনের নিজস্ব কর্পোরেট অফিস ভবন নির্মাণের সিদ্ধান্ত
- লুজারের শীর্ষে মার্কেন্টাইল ব্যাংক
- ব্লক মার্কেটে ৪০ কোটি টাকার লেনদেন
- দর বৃদ্ধির শীর্ষে মীর আখতার
- এনসিসি ব্যাংকের শেয়ারে সর্বোচ্চ লেনদেন
- রেকিট বেনকিজারের লভ্যাংশ ঘোষনা
- ফেডারেল ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষনা
- মার্কেন্টাইল ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষনা
- কন্টিনেন্টাল ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষনা
- প্রাইম ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষনা
- ন্যাশনাল ব্যাংকের ‘নো’ ডিভিডেন্ড
- ট্রাস্ট ব্যাংকের লভ্যাংশ ঘোষনা
- ইউসিবির ‘নো’ ডিভিডেন্ড
- গত সপ্তাহে ব্লক মার্কেটে ১৫৬ কোটি টাকার লেনদেন
- সাপ্তাহিক লেনদেনের শীর্ষে সিটি ব্যাংক
- সাপ্তাহিক দর পতনের শীর্ষে বিআইএফসি
- সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে রিলায়েন্স ইন্স্যুরেন্স
- ডিএসইতে বিদায়ী সপ্তাহে পিই রেশিও কমেছে
- এক্সপ্রেস ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষনা
- প্রাইম ইসলামী ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষনা
- ফনিক্স ইন্স্যুরেন্সের ১২% লভ্যাংশ ঘোষনা
- স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্সের ১২% লভ্যাংশ ঘোষনা
- পূবালি ব্যাংকের ৩০% লভ্যাংশ ঘোষনা
- লভ্যাংশ দেবে না বাংলাদেশ ফাইন্যান্স
- ইসলামী কমার্শিয়াল ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষনা
- লভ্যাংশ দেবে না স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক
- উত্তরা ব্যাংকের লভ্যাংশ ঘোষনা
- মিউচ্যুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের লভ্যাংশ ঘোষনা
- এসবিএসি ব্যাংকের ‘নো’ ডিভিডেন্ড
- ইসলামী ব্যাংকের ‘নো’ ডিভিডেন্ড
- যমুনা ব্যাংকের লভ্যাংশ ঘোষনা
- ব্যাংক এশিয়ার লভ্যাংশ ঘোষনা
- ইউনাইটেড ইন্স্যুরেন্সের লভ্যাংশ ঘোষনা
- বাটা সু’র লভ্যাংশ ঘোষনা
- ঢাকা ব্যাংকের লভ্যাংশ ঘোষনা
- ডাচ-বাংলা ব্যাংকের লভ্যাংশ ঘোষনা
- দর পতনের শীর্ষে বিআইএফসি
- শেয়ার বাজারে উত্থান
- ব্লক মার্কেটে ৪০ কোটি টাকার লেনদেন
- দর বৃদ্ধির শীর্ষে ইউনাইটেড ফাইন্যান্স
- সিটি ব্যাংকের শেয়ারে সর্বোচ্চ লেনদেন
- এনসিসি ব্যাংকের শেয়ারে সর্বোচ্চ লেনদেন
- লভ্যাংশ ঘোষনা করবে মেঘনা ইন্স্যুরেন্স
- সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের মুনাফা বেড়েছে
- মতিন স্পিনিংয়ের মুনাফা কমেছে ৮ শতাংশ
- বিকন ফার্মার মুনাফা বেড়েছে ৫৯ শতাংশ
- ইনডেক্স অ্যাগ্রোর মুনাফা কমেছে ৯ শতাংশ
- ইস্টার্ন লুব্রিকেন্টের মুনাফা বেড়েছে
- এএমসিএল (প্রাণ) মুনাফা কমেছে
- আজিজ পাইপের লোকসান কমেছে ৫ শতাংশ
- আইপিওতে আসার আগে ২২৬% বোনাস : শেয়ার ইস্যু নিয়ে আছে খামখেয়ালিপনা
- শিবলী ও দূর্ণীতিবাজ কর্মকর্তাদের রক্ষায় আদালতের দারস্থ রাশেদ মাকসুদ
- বেস্ট হোল্ডিংসের প্রতি স্কয়ার ফিট নির্মাণে ব্যয় ১৮৫০১ টাকা : সী পার্লের হয়েছে ৪৭১৫ টাকা
- মার্জিনে ঢুকছে বেস্ট হোল্ডিংস
- অনিয়ম সত্ত্বেও শাস্তির পরিবর্তে বেস্ট হোল্ডিংসকে আরও অনৈতিক সুবিধা প্রদান
- তালিকাভুক্ত হোটেলগুলোর মধ্যে সেরা হলেও শেয়ার দরে পিছিয়ে
- এবার বেস্ট হোল্ডিংসের আন্ডারসাবস্ক্রাইব এড়াতে বিএসইসির অনৈতিক সুবিধা
- সাড়ে ১২শ কোটি টাকা ঋণী এসএস স্টিলের চেয়ারম্যানের শত কোটি টাকার বিয়ের অনুষ্ঠান
- বিনিয়োগকারীদের নামে সংগঠন করে চাঁদাবাজি : ধরিয়ে দেওয়ার পরামর্শ
- রবিবার মার্জিনে ঢুকছে বেস্ট হোল্ডিংস
- অনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে বেস্ট হোল্ডিংসের আইপিও অনুমোদন
- শেয়ারবাজারের স্বৈরাচার শিবলীর নানা অপকর্ম
- মেধার জন্য ছাত্রদের আন্দোলন : মেধাবী তাড়াতে নাহিদের ষড়যন্ত্র
- শেয়ারবাজারে আসার আগে ১ কোটি টাকার কোম্পানি হয়ে গেল ২৩ কোটি
- টপটেন লুজারের ৮০ শতাংশই বীমা কোম্পানি














