লোকসান ৬ হাজার কোটি : খাতায় কৃত্রিম মুনাফা
বেসরকারি ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি) পিএলসির আর্থিক প্রতিবেদনে ঘোষিত মুনাফার আড়ালে বড় ধরনের সংকটের চিত্র উঠে এসেছে। ২০২৫ সালের নিরীক্ষিত আর্থিক হিসাব বিশ্লেষণে দেখা যায়, ব্যাংকটির মূল ব্যাংকিং কার্যক্রম—ঋণ ও আমানতভিত্তিক আয়—উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে। বিনিয়োগ ও অন্যান্য উৎসের আয় দিয়ে মুনাফা ধরে রাখার চেষ্টা করা হলেও প্রয়োজনীয় সঞ্চিতি (প্রভিশন) গঠন না করায় প্রকৃত লোকসান আড়াল হয়েছে। নিরীক্ষকদের হিসাব অনুযায়ী, প্রয়োজনীয় সঞ্চিতি গঠন করা হলে ব্যাংকটির লোকসান প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছাত। অথচ আর্থিক বিবরণীতে মুনাফার চিত্র উপস্থাপন করা হয়েছে।
এমন আর্থিক অবস্থার মধ্যেই রাইট শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে নতুন করে বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ৭৭৫ কোটি ১৮ লাখ ৭৯ হাজার ৪৯০ টাকা সংগ্রহের উদ্যোগ নিয়েছে ইউসিবি। এ লক্ষ্যে ১০ টাকা অভিহিত মূল্যের ৭৭ কোটি ৫১ লাখ ৮৭ হাজার ৯৪৯টি সাধারণ শেয়ার ইস্যু করা হবে। আগামী ২৩ আগস্ট থেকে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়ে চলবে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। তবে নিরীক্ষা প্রতিবেদনে উঠে আসা প্রকৃত আর্থিক অবস্থার কারণে বিশ্লেষকদের মতে, ব্যাংকটির শেয়ারে বিনিয়োগ ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
জানা গেছে, ২০২৪ সালে ইউসিবির নিট সুদ আয় ছিল ২ হাজার ৮৫ কোটি ৬৯ লাখ টাকা। তবে ২০২৫ সালে তা নেমে এসেছে ৯৮৬ কোটি ২৬ লাখ টাকায়। এক বছরের ব্যবধানে নিট সুদ আয়ে পতন ১ হাজার ৯৯ কোটি ৪৩ লাখ টাকা বা ৫৩ শতাংশ, যা মূল ব্যাংকিং কার্যক্রমে বড় ধরনের দুর্বলতার ইঙ্গিত দেয়।
এই ঘাটতি সামাল দিতে ব্যাংকটি ঋণ কার্যক্রমের বদলে বিনিয়োগ আয়ের ওপর নির্ভরতা বাড়িয়েছে। সরকারি ট্রেজারি বিল, ট্রেজারি বন্ড, প্রাইজ বন্ড ও বিভিন্ন সিকিউরিটিজে বিনিয়োগ বাড়িয়েছে ব্যাংকটি। ২০২৪ সালে যেখানে মোট বিনিয়োগ ছিল ৮ হাজার ৭৮৫ কোটি ১৪ লাখ টাকা, সেখানে মাত্র এক বছরের ব্যবধানে ২০২৫ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ৮৭১ কোটি ৪৫ লাখ টাকায়। অর্থাৎ বিনিয়োগ বাড়ানো হয়েছে ৬ হাজার ৮৬ কোটি ৩১ লাখ টাকা বা ৬৯ শতাংশ।
এর ফলে বিনিয়োগ আয়ও বেড়েছে। ২০২৪ সালে বিনিয়োগ থেকে ব্যাংকটির আয় ছিল ৭৪৩ কোটি ৯০ লাখ টাকা, যা ২০২৫ সালে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৪৯৩ কোটি ৪৩ লাখ টাকায়। এক বছরের ব্যবধানে বিনিয়োগ আয় বেড়েছে ৭৪৯ কোটি ৫৩ লাখ টাকা বা ১০১ শতাংশ।
এ ছাড়া ২০২৫ সালে ব্যাংকটি কমিশন, এক্সচেঞ্জ ও ব্রোকারেজ থেকে আয় করেছে ৭৪৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা এবং অন্যান্য পরিচালন খাত থেকে আয় করেছে ২৫ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। এসব আয়ের ওপর ভর করেই ব্যাংকটি মুনাফা দেখাতে সক্ষম হয়েছে।
২০২৪ সালে যেখানে ব্যাংকটির নিট মুনাফা ছিল ৬০ কোটি ৭৮ লাখ টাকা, সেখানে ২০২৫ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৩ কোটি ৫৮ লাখ টাকায়। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে মুনাফা বেড়েছে ২ কোটি ৮০ লাখ টাকা বা ৫ শতাংশ।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, বিনিয়োগ ও অন্যান্য পরিচালন আয় বাদ দিলে ব্যাংকটি কার্যত লোকসানে পড়ত। কারণ ২০২৫ সালে ব্যাংকটির নিট সুদ আয় ছিল ৯৮৬ কোটি ২৬ লাখ টাকা, অথচ একই বছরে শুধু কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পেছনে বেতনাদিবাবদই ব্যয় হয়েছে ৯৬৯ কোটি ১৫ লাখ টাকা। এ বিবেচনায় মূল ব্যবসা দিয়ে ব্যাংকটির কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতনাদিবাবদ ব্যয়ের সমান আয় হয়েছে।
অথচ ব্যাংকটির এর বাহিরেও অনেক ব্যয় রয়েছে। যাতে ২০২৫ সালে বেতনাদিসহ ব্যাংকটির মোট পরিচালন ব্যয় হয়েছে ২ হাজার ৭৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকা। এর সঙ্গে ঋণের বিপরীতে সঞ্চিতি ব্যয় যোগ হয়েছে আরও ৯৭৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকা।
অন্যদিকে, নিরীক্ষা প্রতিবেদনে ইউসিবি ব্যাংকের প্রকৃত আর্থিক অবস্থার সঙ্গে প্রকাশিত হিসাবের বড় ধরনের অসঙ্গতির তথ্য উঠে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যাংকটির ৯ হাজার ৫৭৬ কোটি ২৩ লাখ টাকার খেলাপি ঋণের বিপরীতে ৭ হাজার ৬৭৯ কোটি ৪২ লাখ টাকা সঞ্চিতি গঠন করা প্রয়োজন ছিল। কিন্তু ব্যাংকটি গঠন করেছে মাত্র ২ হাজার ৫২৪ কোটি ৩৮ লাখ টাকা, ফলে এ খাতে সঞ্চিতি ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ৫ হাজার ১৫৫ কোটি ৪ লাখ টাকা। এছাড়া অন্যান্য সম্পদের বিপরীতেও ৪৩৯ কোটি ৮৯ লাখ টাকার ও লিজিং কোম্পানিতে এফডিআরের বিপরীতে ১৫৫ কোটি ৪৮ লাখ টাকার সঞ্চিতি ঘাটতি রয়েছে। সব মিলিয়ে সঞ্চিতির ঘাটতির পরিমাণ ৫ হাজার ৭৫০ কোটি ৪১ লাখ টাকা। এই ঘাটতির কারণে ব্যাংকটির আর্থিক বিবরণীতে সম্পদ, মুনাফা ও ইক্যুইটি প্রকৃত অবস্থার তুলনায় বেশি এবং দায় কম দেখানো হয়েছে। প্রয়োজনীয় সঞ্চিতি গঠন করা হলে মুনাফার পরিবর্তে ব্যাংকটির ৫ হাজার ৭২৭ কোটি ১৫ লাখ টাকা বা শেয়ারপ্রতি ৩৬.৯৪ টাকা লোকসান দেখাতে হতো। নিরীক্ষক ও বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশ ব্যাংকের দেওয়া ছাড় থাকলেও এ ধরনের হিসাব উপস্থাপন আন্তর্জাতিক হিসাব মানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এতে বিনিয়োগকারীরা বিভ্রান্ত হতে পারেন।
উল্লেখ্য, ২০২৫ সাল শেষে ১ হাজার ৫৫০ কোটি ৩৮ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধনের ইউসিবিতে ৪ হাজার ২০৫ কোটি ৩৯ লাখ টাকার নিট সম্পদ ছিল। ব্যাংকটি থেকে গত ৩১ ডিসেম্বর প্রদত্ত ঋণের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬১ হাজার ৭৮৯ কোটি ১ লাখ টাকা। এর বিপরীতে ব্যাংকটিতে গ্রাহকদের ৬৮ হাজার ৩৯৪ কোটি ১৫ লাখ টাকার আমানত রয়েছে। এরমধ্যে ৪০ হাজার ৬৪৩ কোটি ৭১ লাখ টাকার ফিক্সড ডিপোজিট রয়েছে।
পাঠকের মতামত:
- দর পতনের শীর্ষে সিএপিএম আইবিবিএল মিউচ্যুয়াল ফান্ড
- দর বৃদ্ধির শীর্ষে হা-ওয়েল টেক্সটাইল
- ব্লক মার্কেটে ৩১ কোটি টাকার লেনদেন
- এনভয় টেক্সটাইলের শেয়ারে সর্বোচ্চ লেনদেন
- ওয়াইম্যাক্স ইলেকট্রোডসে লভ্যাংশ ঘোষণা
- মেঘনা পেট্রোলিয়ামের লভ্যাংশ ঘোষণা
- শেয়ারবাজারে পতন
- আল-আরাফাহ ব্যাংকে খেলাপি বিনিয়োগের পাহাড়
- বিএসইসির অনুসন্ধানে আজাদ পাটওয়ারীর সন্দেহজনক লেনদেন
- শেয়ারবাজারে পতন
- দর বৃদ্ধির শীর্ষে সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালস
- ব্লক মার্কেটে ৮ কোটি টাকার লেনদেন
- ইভিন্স টেক্সটাইলের শেয়ারে সর্বোচ্চ লেনদেন
- উৎপাদনে লোকসান, বিনিয়োগ-ভাড়ার আয়ে টিকে জিকিউ বলপেন
- ৯ মাসে ইউনিটপ্রতি মুনাফা বাড়লেও তৃতীয় প্রান্তিকে লোকসান
- পাঁচ মাস ধরে ৩০০ কোটি ডলারের নিচে রেমিট্যান্স
- ডিএসইর অর্গানোগ্রাম পরিবর্তনে লাগবে না স্কিম সংশোধন
- তাকাফুল ইসলামী ইন্স্যুরেন্সে পাওনা-অগ্রিমে আটকা ৪২ কোটি টাকা
- দর বৃদ্ধির শীর্ষে মতিন স্পিনিং
- ব্লক মার্কেটে ২৩ কোটি টাকার লেনদেন
- শেয়ারবাজারে পতন
- মতিন স্পিনিংয়ের শেয়ারে সর্বোচ্চ লেনদেন
- ১৬ কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণা, লোকসানে ৬টি
- রয়্যালটি চুক্তি পরিবর্তন করল রেকিট বেনকিজার
- ১১ ব্যাংকের মধ্যে ৬টির ইপিএস ঋণাত্মক
- তিন বছরে ২৪২% রিটার্ন
- জিয়োর শেয়ারে দুই দিনে ২৭ শতাংশের বেশি মুনাফা, চাঙা ভারতীয় বাজার
- শাইনপুকুর সিরামিকসের ‘নো’ ডিভিডেন্ড
- এসবিএসি ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ৩৩ শতাংশ
- বাজার মূলধন কমেছে ৭ হাজার ১১১ কোটি টাকা
- গত সপ্তাহে ব্লক মার্কেটে ১৮০ কোটি টাকার লেনদেন
- সাপ্তাহিক দর পতনের শীর্ষে মীর আখতার
- সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে প্রাইম ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড
- মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা নিয়ে চাপের মুখে বিএসইসি
- বিএটিবিসির মুনাফা কমেছে
- জেনেক্স ইনফোসিসের লভ্যাংশ ঘোষণা
- ওয়াটা কেমিক্যালের লভ্যাংশ ঘোষণা
- মুন্নু সিরামিকসের ‘নো’ ডিভিডেন্ড
- জিবিবি পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা
- এম.এল ডাইংয়ের লভ্যাংশ ঘোষণা
- মুন্নু অ্যাগ্রোর ‘নো’ ডিভিডেন্ড
- সুদের ওপর কর্মকর্তাদের ভাগ
- ক্যাল ইনভেস্টমেন্টসের দুই বিও হিসাব তদন্তে বিএসইসি
- এমজেএল বাংলাদেশের লভ্যাংশ ঘোষনা
- তমিজউদ্দিন টেক্সটাইলের ১৩% লভ্যাংশ ঘোষনা
- ওরিজা অ্যাগ্রোর লভ্যাংশ ঘোষনা
- এডিএন টেলিকমের লভ্যাংশ ঘোষনা
- ইনফরমেশন সার্ভিসেসের ‘নো’ ডিভিডেন্ড
- বিডিকম অনলাইনের লভ্যাংশ ঘোষনা
- ইফাদ অটোজের লভ্যাংশ ঘোষনা
- আনোয়ার গ্যালভানাইজিংয়ের ১০% লভ্যাংশ ঘোষনা
- রানার অটোর লভ্যাংশ ঘোষণা
- সিলকো ফার্মার লভ্যাংশ ঘোষনা
- এডভেন্ট ফার্মার লভ্যাংশ ঘোষনা
- মুন্নু ফেব্রিক্সের লভ্যাংশ ঘোষনা
- সিঙ্গার বাংলাদেশের লোকসান বেড়েছে
- মালেক স্পিনিংয়ের মুনাফা আছে, লভ্যাংশ নাই
- তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজের লভ্যাংশ ঘোষনা
- কপারটেকের লভ্যাংশ ঘোষণা
- মূল বিমা ব্যবসার মুনাফা কমেছে ৭৪%, ঝুঁকিতে এফডিআরের বড় অংশ
- ব্লক মার্কেটে ২৯ কোটি টাকার লেনদেন
- প্রাইম ব্যাংকের শেয়ারে সর্বোচ্চ লেনদেন
- ২৩ কোটি টাকার লভ্যাংশ পাচ্ছে খুলনা পাওয়ার
- দূর্বল ব্যবসার জিপিএইচ ইস্পাতের পিছুটান
- লভ্যাংশ দেবে না মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ
- সোনালী লাইফের ৯ মাসের উদ্বৃত্ত কমেছে ৬৭ শতাংশ
- স্কয়ার টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষনা
- মাইডাস ফাইন্যান্সের লোকসান বেড়েছে
- ব্লক মার্কেটে ৯ কোটি টাকার লেনদেন
- ব্র্যাক ব্যাংকের শেয়ারে সর্বোচ্চ লেনদেন
- ইউনাইটেড পাওয়ারের সাবসিডিয়ারির লভ্যাংশ ঘোষণা
- বিজিআইসির ইপিএস বেড়েছে ১ পয়সা
- ফনিক্স ইন্স্যুরেন্সের মুনাফা বেড়েছে
- সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের লভ্যাংশ ঘোষণা
- শমরিতা হসপিটালের লভ্যাংশ ঘোষনা
- আইপিওতে আসার আগে ২২৬% বোনাস : শেয়ার ইস্যু নিয়ে আছে খামখেয়ালিপনা
- শিবলী ও দূর্ণীতিবাজ কর্মকর্তাদের রক্ষায় আদালতের দারস্থ রাশেদ মাকসুদ
- বেস্ট হোল্ডিংসের প্রতি স্কয়ার ফিট নির্মাণে ব্যয় ১৮৫০১ টাকা : সী পার্লের হয়েছে ৪৭১৫ টাকা
- মার্জিনে ঢুকছে বেস্ট হোল্ডিংস
- অনিয়ম সত্ত্বেও শাস্তির পরিবর্তে বেস্ট হোল্ডিংসকে আরও অনৈতিক সুবিধা প্রদান
- তালিকাভুক্ত হোটেলগুলোর মধ্যে সেরা হলেও শেয়ার দরে পিছিয়ে
- এবার বেস্ট হোল্ডিংসের আন্ডারসাবস্ক্রাইব এড়াতে বিএসইসির অনৈতিক সুবিধা
- সাড়ে ১২শ কোটি টাকা ঋণী এসএস স্টিলের চেয়ারম্যানের শত কোটি টাকার বিয়ের অনুষ্ঠান
- বিনিয়োগকারীদের নামে সংগঠন করে চাঁদাবাজি : ধরিয়ে দেওয়ার পরামর্শ
- রবিবার মার্জিনে ঢুকছে বেস্ট হোল্ডিংস
- অনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে বেস্ট হোল্ডিংসের আইপিও অনুমোদন
- শেয়ারবাজারের স্বৈরাচার শিবলীর নানা অপকর্ম
- মেধার জন্য ছাত্রদের আন্দোলন : মেধাবী তাড়াতে নাহিদের ষড়যন্ত্র
- শেয়ারবাজারে আসার আগে ১ কোটি টাকার কোম্পানি হয়ে গেল ২৩ কোটি
- টপটেন লুজারের ৮০ শতাংশই বীমা কোম্পানি














