বিএসইসির তদন্তের পর শার্প ও আমরা টেকের শেয়ারে বড় পতন
অস্বাভাবিক শেয়ারদর বৃদ্ধি ও লেনদেনের বিষয়ে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) নির্দেশে তদন্ত শুরু হওয়ার পর বড় ধরনের দরপতনের মুখে পড়েছে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ ও আমরা টেকনোলজিসের শেয়ার।
ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) তথ্য অনুযায়ী, শার্প ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারদর ১১ কার্যদিবসে ৪২ দশমিক ১৮ শতাংশ কমে ৩০ আগস্ট ২৫ টাকা ৫০ পয়সায় নেমে এসেছে। অন্যদিকে আমরা টেকনোলজিসের শেয়ারদর ১৪ কার্যদিবসে ২৮ দশমিক ১৪ শতাংশ কমে ১৬ টাকা ৬০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে।
বিএসইসি কর্মকর্তাদের বরাতে জানা গেছে, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে প্রতিষ্ঠান দুটির শেয়ারদর ও লেনদেনে অস্বাভাবিকতার বিষয়ে তদন্ত করতে ডিএসইকে নির্দেশ দেয় কমিশন। ডিএসই ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে এবং ৩০ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন বিএসইসিতে জমা দিতে বলা হয়েছে।
কারসাজি ও ইনসাইডার ট্রেডিং খতিয়ে দেখা হবে
তদন্তে প্রতিষ্ঠান দুটির শেয়ারে বাজার কারসাজি, সমন্বিত বা অপ্রকৃত লেনদেন এবং অপ্রকাশিত মূল্যসংবেদনশীল তথ্য (ইউপিএসআই) ব্যবহার করে ইনসাইডার ট্রেডিং হয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে।
এ ছাড়া সংশ্লিষ্ট স্টক ব্রোকার, ডিলার ও অনুমোদিত প্রতিনিধিরা (এআর) মার্জিন ঋণসংক্রান্ত বিধিমালা এবং বিএসইসির বিভিন্ন আদেশ, প্রজ্ঞাপন ও নির্দেশনা যথাযথভাবে পরিপালন করেছেন কি না, সেটিও তদন্তের আওতায় থাকবে।
সন্দেহজনক লেনদেনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্রোকার, ডিলার ও অনুমোদিত প্রতিনিধিরা কোনোভাবে এসব লেনদেনে সহায়তা করেছেন কি না কিংবা তা প্রতিরোধে ব্যর্থ হয়েছেন কি না, তাও খতিয়ে দেখবে ডিএসই।
একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এআর, কমপ্লায়েন্স কর্মকর্তা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাদের সন্দেহজনক লেনদেন শনাক্তকরণ এবং নিয়ন্ত্রক বিধিবিধান পরিপালন বিষয়ে সচেতন করার নির্দেশ দিয়েছে বিএসইসি।
শার্প ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারে ১৫৬% উত্থান
ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ জুন শার্প ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারদর ছিল ১৭ টাকা। সেখান থেকে মাত্র দুই মাসের মধ্যে ১২ আগস্ট শেয়ারটির দাম বেড়ে ৪৪ টাকা ১০ পয়সায় ওঠে। অর্থাৎ এ সময়ে দর বেড়েছিল প্রায় ১৫৬ শতাংশ।
অস্বাভাবিক দরবৃদ্ধির কারণ জানতে ১১ আগস্ট কোম্পানিটির কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছিল ডিএসই। জবাবে শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ জানায়, শেয়ারদর বাড়ার মতো তাদের ব্যবসায় উল্লেখযোগ্য কোনো পরিবর্তন হয়নি এবং এ বিষয়ে কোনো অপ্রকাশিত মূল্যসংবেদনশীল তথ্যও নেই।
এরপর শেয়ারটিতে বড় ধরনের বিক্রির চাপ তৈরি হয়। ১১ কার্যদিবসে দর ৪২ দশমিক ১৮ শতাংশ কমে ২৫ টাকা ৫০ পয়সায় নেমে আসে।
এদিকে উৎপাদন সক্ষমতা নিয়েও সমস্যায় রয়েছে কোম্পানিটি। বিদ্যুৎ সংকটের কারণে প্রতিষ্ঠানটির দৈনিক উৎপাদন সক্ষমতা ৭০ টন থেকে কমে প্রায় ৪২ টনে নেমেছে। এতে উৎপাদন প্রায় ৪০ শতাংশ কমেছে।
প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার স্পিন্ডল নিয়ে পরিচালিত এ স্পিনিং কোম্পানিটি চলতি অর্থবছরের মার্চ পর্যন্ত নয় মাসে ২৫৭ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করলেও ৬৫ কোটি টাকা নিট লোকসান করেছে। এ সময়ে শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ২ টাকা ১৬ পয়সা। কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভি) ছিল ৭ টাকা ৯২ পয়সা।
তবে কোম্পানিটি আগামী দিনে ব্যবসা ঘুরে দাঁড়ানোর কিছু সম্ভাবনা দেখছে। ছয় মাসের নিশ্চিত ক্রয়াদেশ, পণ্যের দাম বৃদ্ধি, রপ্তানি প্রণোদনা বাড়া এবং ভারতের অ্যান্টি-ডাম্পিং ব্যবস্থার চাপ কিছুটা কমে আসাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে প্রতিষ্ঠানটি।
আমরা টেকের শেয়ারও বেড়েছিল ৫৯%
শার্প ইন্ডাস্ট্রিজের মতো আমরা টেকনোলজিসের শেয়ারেও তদন্তের আগে বড় ধরনের দরবৃদ্ধি দেখা যায়।
ডিএসইর তথ্য অনুযায়ী, গত ২৩ জুন আমরা টেকনোলজিসের শেয়ারদর ছিল ১৪ টাকা ৫০ পয়সা। ৯ আগস্ট তা বেড়ে ২৩ টাকা ১০ পয়সায় দাঁড়ায়। অর্থাৎ দেড় মাসের কিছু বেশি সময়ে শেয়ারটির দর প্রায় ৫৯ শতাংশ বেড়েছিল।
এরপর শেয়ারটিতে ব্যাপক বিক্রির চাপ তৈরি হয়। ১৪ কার্যদিবসে দর ২৮ দশমিক ১৪ শতাংশ কমে ৩০ আগস্ট ১৬ টাকা ৬০ পয়সায় নেমে আসে।
এ দরবৃদ্ধির সময় কোম্পানিটির আর্থিক অবস্থাও দুর্বল ছিল। ২০২৫ অর্থবছরে আমরা টেকনোলজিস শেয়ারপ্রতি ৩ টাকা ১৭ পয়সা লোকসান করেছে। ওই সময়ে শেয়ারপ্রতি এনএভি ছিল ১৮ টাকা ৪৬ পয়সা। কোম্পানিটি ০ দশমিক ২৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছিল।
আমরা টেকনোলজিস মূলত আইটি অবকাঠামো, নেটওয়ার্কিং, ডেটা সেন্টার, সাইবার নিরাপত্তা, ক্লাউড কম্পিউটিং ও এন্টারপ্রাইজ প্রযুক্তি সেবা দিয়ে থাকে। সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হার্ডওয়্যার, সফটওয়্যার ও প্রযুক্তিভিত্তিক সেবা সরবরাহ করে কোম্পানিটি।
প্রকৃত চাহিদা নাকি কারসাজি, খতিয়ে দেখবে ডিএসই
শার্প ইন্ডাস্ট্রিজ ও আমরা টেকনোলজিসের শেয়ারদরে বড় উত্থান ও পরবর্তী পতনের পেছনে প্রকৃত বাজারচাহিদা ছিল, নাকি কারসাজি বা অন্য কোনো অনিয়ম ছিল—তদন্তে সেটিই মূলত খতিয়ে দেখা হবে।
বিএসইসির নির্দেশনার পর ডিএসইর তদন্তে বাজার কারসাজি, ইনসাইডার ট্রেডিং, ব্রোকার পর্যায়ের অনিয়মসহ সিকিউরিটিজ আইন লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।
পাঠকের মতামত:
- বিএসইসির অনুসন্ধানে আজাদ পাটওয়ারীর সন্দেহজনক লেনদেন
- শেয়ারবাজারে পতন
- দর বৃদ্ধির শীর্ষে সিলভা ফার্মাসিউটিক্যালস
- ব্লক মার্কেটে ৮ কোটি টাকার লেনদেন
- ইভিন্স টেক্সটাইলের শেয়ারে সর্বোচ্চ লেনদেন
- উৎপাদনে লোকসান, বিনিয়োগ-ভাড়ার আয়ে টিকে জিকিউ বলপেন
- ৯ মাসে ইউনিটপ্রতি মুনাফা বাড়লেও তৃতীয় প্রান্তিকে লোকসান
- পাঁচ মাস ধরে ৩০০ কোটি ডলারের নিচে রেমিট্যান্স
- ডিএসইর অর্গানোগ্রাম পরিবর্তনে লাগবে না স্কিম সংশোধন
- তাকাফুল ইসলামী ইন্স্যুরেন্সে পাওনা-অগ্রিমে আটকা ৪২ কোটি টাকা
- দর বৃদ্ধির শীর্ষে মতিন স্পিনিং
- ব্লক মার্কেটে ২৩ কোটি টাকার লেনদেন
- শেয়ারবাজারে পতন
- মতিন স্পিনিংয়ের শেয়ারে সর্বোচ্চ লেনদেন
- ১৬ কোম্পানির লভ্যাংশ ঘোষণা, লোকসানে ৬টি
- রয়্যালটি চুক্তি পরিবর্তন করল রেকিট বেনকিজার
- ১১ ব্যাংকের মধ্যে ৬টির ইপিএস ঋণাত্মক
- তিন বছরে ২৪২% রিটার্ন
- জিয়োর শেয়ারে দুই দিনে ২৭ শতাংশের বেশি মুনাফা, চাঙা ভারতীয় বাজার
- শাইনপুকুর সিরামিকসের ‘নো’ ডিভিডেন্ড
- এসবিএসি ব্যাংকের মুনাফা বেড়েছে ৩৩ শতাংশ
- বাজার মূলধন কমেছে ৭ হাজার ১১১ কোটি টাকা
- গত সপ্তাহে ব্লক মার্কেটে ১৮০ কোটি টাকার লেনদেন
- সাপ্তাহিক দর পতনের শীর্ষে মীর আখতার
- সাপ্তাহিক দর বৃদ্ধির শীর্ষে প্রাইম ফাইন্যান্স ফার্স্ট মিউচ্যুয়াল ফান্ড
- মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা নিয়ে চাপের মুখে বিএসইসি
- বিএটিবিসির মুনাফা কমেছে
- জেনেক্স ইনফোসিসের লভ্যাংশ ঘোষণা
- ওয়াটা কেমিক্যালের লভ্যাংশ ঘোষণা
- মুন্নু সিরামিকসের ‘নো’ ডিভিডেন্ড
- জিবিবি পাওয়ারের লভ্যাংশ ঘোষণা
- এম.এল ডাইংয়ের লভ্যাংশ ঘোষণা
- মুন্নু অ্যাগ্রোর ‘নো’ ডিভিডেন্ড
- সুদের ওপর কর্মকর্তাদের ভাগ
- ক্যাল ইনভেস্টমেন্টসের দুই বিও হিসাব তদন্তে বিএসইসি
- এমজেএল বাংলাদেশের লভ্যাংশ ঘোষনা
- তমিজউদ্দিন টেক্সটাইলের ১৩% লভ্যাংশ ঘোষনা
- ওরিজা অ্যাগ্রোর লভ্যাংশ ঘোষনা
- এডিএন টেলিকমের লভ্যাংশ ঘোষনা
- ইনফরমেশন সার্ভিসেসের ‘নো’ ডিভিডেন্ড
- বিডিকম অনলাইনের লভ্যাংশ ঘোষনা
- ইফাদ অটোজের লভ্যাংশ ঘোষনা
- আনোয়ার গ্যালভানাইজিংয়ের ১০% লভ্যাংশ ঘোষনা
- রানার অটোর লভ্যাংশ ঘোষণা
- সিলকো ফার্মার লভ্যাংশ ঘোষনা
- এডভেন্ট ফার্মার লভ্যাংশ ঘোষনা
- মুন্নু ফেব্রিক্সের লভ্যাংশ ঘোষনা
- সিঙ্গার বাংলাদেশের লোকসান বেড়েছে
- মালেক স্পিনিংয়ের মুনাফা আছে, লভ্যাংশ নাই
- তসরিফা ইন্ডাস্ট্রিজের লভ্যাংশ ঘোষনা
- কপারটেকের লভ্যাংশ ঘোষণা
- মূল বিমা ব্যবসার মুনাফা কমেছে ৭৪%, ঝুঁকিতে এফডিআরের বড় অংশ
- ব্লক মার্কেটে ২৯ কোটি টাকার লেনদেন
- প্রাইম ব্যাংকের শেয়ারে সর্বোচ্চ লেনদেন
- ২৩ কোটি টাকার লভ্যাংশ পাচ্ছে খুলনা পাওয়ার
- দূর্বল ব্যবসার জিপিএইচ ইস্পাতের পিছুটান
- লভ্যাংশ দেবে না মিরাকল ইন্ডাস্ট্রিজ
- সোনালী লাইফের ৯ মাসের উদ্বৃত্ত কমেছে ৬৭ শতাংশ
- স্কয়ার টেক্সটাইলের লভ্যাংশ ঘোষনা
- মাইডাস ফাইন্যান্সের লোকসান বেড়েছে
- ব্লক মার্কেটে ৯ কোটি টাকার লেনদেন
- ব্র্যাক ব্যাংকের শেয়ারে সর্বোচ্চ লেনদেন
- ইউনাইটেড পাওয়ারের সাবসিডিয়ারির লভ্যাংশ ঘোষণা
- বিজিআইসির ইপিএস বেড়েছে ১ পয়সা
- ফনিক্স ইন্স্যুরেন্সের মুনাফা বেড়েছে
- সিভিও পেট্রোকেমিক্যালের লভ্যাংশ ঘোষণা
- শমরিতা হসপিটালের লভ্যাংশ ঘোষনা
- শমরিতা হসপিটালের ইপিএস বেড়েছে
- নিরবে ধংসের পথে আরেক ব্যাংক
- বাংলাদেশের পুরো শেয়ারবাজারের চেয়েও বড় জিয়োর আইপিওতে আবেদন
- ১০০ মিনিটেই সাবস্ক্রাইবড জিয়োর আইপিও
- হাজার কোটি টাকার বন্ড কেলেঙ্কারি: নিরীক্ষককে এফআরসিতে পাঠাচ্ছে বিএসইসি
- ভারতের শেয়ারবাজারে বড় পতন
- দুর্গাপূজায় ৫ দিনের ছুটি শুরু
- জিকিউ বলপেনের বকেয়া কর-ভ্যাট ১৪ লাখ টাকা
- আইপিওতে আসার আগে ২২৬% বোনাস : শেয়ার ইস্যু নিয়ে আছে খামখেয়ালিপনা
- শিবলী ও দূর্ণীতিবাজ কর্মকর্তাদের রক্ষায় আদালতের দারস্থ রাশেদ মাকসুদ
- বেস্ট হোল্ডিংসের প্রতি স্কয়ার ফিট নির্মাণে ব্যয় ১৮৫০১ টাকা : সী পার্লের হয়েছে ৪৭১৫ টাকা
- মার্জিনে ঢুকছে বেস্ট হোল্ডিংস
- অনিয়ম সত্ত্বেও শাস্তির পরিবর্তে বেস্ট হোল্ডিংসকে আরও অনৈতিক সুবিধা প্রদান
- তালিকাভুক্ত হোটেলগুলোর মধ্যে সেরা হলেও শেয়ার দরে পিছিয়ে
- এবার বেস্ট হোল্ডিংসের আন্ডারসাবস্ক্রাইব এড়াতে বিএসইসির অনৈতিক সুবিধা
- সাড়ে ১২শ কোটি টাকা ঋণী এসএস স্টিলের চেয়ারম্যানের শত কোটি টাকার বিয়ের অনুষ্ঠান
- বিনিয়োগকারীদের নামে সংগঠন করে চাঁদাবাজি : ধরিয়ে দেওয়ার পরামর্শ
- রবিবার মার্জিনে ঢুকছে বেস্ট হোল্ডিংস
- অনৈতিক লেনদেনের মাধ্যমে বেস্ট হোল্ডিংসের আইপিও অনুমোদন
- শেয়ারবাজারের স্বৈরাচার শিবলীর নানা অপকর্ম
- মেধার জন্য ছাত্রদের আন্দোলন : মেধাবী তাড়াতে নাহিদের ষড়যন্ত্র
- শেয়ারবাজারে আসার আগে ১ কোটি টাকার কোম্পানি হয়ে গেল ২৩ কোটি
- টপটেন লুজারের ৮০ শতাংশই বীমা কোম্পানি














